এক.
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্বাধীনতার তৃতীয় বর্ষ চলছে, ১৯৭৪ সাল। সে-বছর বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা একাডেমির আয়োজনে ‘রবীন্দ্রনাথের কূটাভাস’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করবেন আবদুল মান্নান সৈয়দ; তিনি আরম্ভ করলেন বাংলাদেশ ভূখ-ে রবীন্দ্রনাথের মূল্যায়ন সম্পর্কে এক নিরঙ্কুশ সত্য উচ্চারণের মাধ্যমে- ‘রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে এদেশে কোনো নির্দলীয় ও অনুভূত সত্য উচ্চারণের জন্যে রীতিমতো অভীকতার প্রয়োজন হয়। কারণ, তাঁর সম্বন্ধে দুরকম আচ্ছন্নতা আমাদের পেয়ে বসেছে : একটি ভক্তির অন্ধ অর্চনা, অপরটি বিদ্বেষের বিষ। শোচনার কথা এই যে, এই দ্বিদৃষ্টির কোনোটিই ‘সাহিত্যিক’ কারণে জন্মগ্রহণ করে নি, বরঞ্চ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে জাত।’ গত চার দশকে মান্নান সৈয়দের এই মন্তÍব্যের প্রাসঙ্গিকতা স্বল্পাংশেও লঘু হয়েছে; এমনটা ভাবার কোনো অবকাশ নেই। আমাদের দেশে রবীন্দ্রসাহিত্যের অনুরাগী বৃদ্ধি পেয়েছে, একথা সত্য; আবার এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারি হয়েছে রবীন্দ্র বিদ্বেষীর দলও। এইতো সে-দিন কোনো এক প্রতিযোগিতামূলক প্রশ্নপত্রে দেখলাম; প্রশ্ন রয়েছে- ‘ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিরোধীতা করেছিলেন কোন কবি?’ বিকল্প উত্তরগুলোর দ্বিতীয়টিতে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের নাম। কোনো ঐতিহাসিক ও চেতনাগত ব্যাখ্যার অবকাশ না রেখে সচেতনভাবে এমন প্রশ্ন করাটা রবীন্দ্রবিদ্বেষ-সাম্প্রদায়িক মনোভাব ব্যতিরেকে আর কি হতে পারে? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে আমাদের প্রাথমিক পরিচয় প্রাতিষ্ঠানিক; সাধারণত স্কুল পাঠ্যের মাধ্যমে। পূর্বের তুলনায় ক্রমক্ষয়িষ্ণু হলেও বাংলাদেশে এই পরিচয় ঘটে মাস্টারমশাইদের খানিকটা ঋণাত্মক মন্তÍব্যের সংযোগে। দুই শতাব্দীর ঔপনিবেশিক শাসনে বাঙালি মুসলমানরা শিক্ষা ও আলোকপ্রাপ্তির নানা প্রান্তÍ হতে সার্বিকভাবে পিছিয়ে পড়েছিল। এই অনিবার্য পশ্চাৎপদতা শুধুমাত্র বুদ্ধিবৃত্তিক দিক হতেই তাদের পিছিয়ে দেয়নি; করে তুলেছিল খানিকটা হীনমন্য। উত্তরকালে হীনমন্যতার সঙ্গে যুক্ত হয় ঔপনিবেশিক প্রভুদের তৈরি করা সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি। এই দ্বিবিধ ক্রিয়ার মিশেলে বিশেষ কোনো প্রযত্ন ব্যতিরেকেই রবীন্দ্রবিদ্বেষের বিষবৃক্ষ এখানে বিশাল অশ^ত্থের আকার ধারণ করে। যার ফলশ্রুতিতে স্কুল জীবনেই অনেক সময় কোমলমতি শিশুদের চিন্তÍায় প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়- কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল বাগিয়ে নেয়া, হিন্দু মেয়ের সঙ্গে চাল চেলে তাঁকে বিয়ে দেয়া কিংবা নজরুলকে পাগল প্রতিপন্ন করার তুল্য হাস্যকর ও রবীন্দ্রবিদ্বেষী গালগল্প। এই ভূখ-ে ব্যক্তিগত পর্যায়ে রবীন্দ্রচর্চা আরম্ভ হয়েছিল পার্টিশন উত্তরকালে। পাকিস্তান নামের নতুন রাষ্ট্র একশ্রেণির নতুন লেখক-বুদ্ধিজীবীর জন্ম দেয়, ধর্মের নামে বাঙালি সংস্কৃতি উপেক্ষা করে যারা হয়ে উঠেছিলেন পাকিস্তানবাদী এবং প্রগতিবিমূখ। স্বভাবতই এরা ছিলেন রবীন্দ্রবিরোধী। এর ফলশ্রুতিতে- তখনকার সময়ে অধিকাংশ লেখক বুদ্ধিজীবীর মনে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে দ্বিধা ও সংশয় দেখা দেয়, যার সমান্তÍরালে যুক্ত হয় শাসক শ্রেণির বিরূপতা। এমন প্রেক্ষাপটে সাংস্কৃতিক পরিম-লে রবীন্দ্রনাথ হয়ে উঠেছিলেন খানিকটা ভিন গ্রহের মানুষ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতিসত্তার যে নতুন প্রান্তÍ উন্মোচন করে তা সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রে রক্ষণশীলতা অনেকটা বিদূরিত করে; যার ফলে সাহিত্যচিন্তÍার ক্ষেত্রেও প্রগতিশীল মনোভাব প্রাধান্য পেতে থাকে। এই কালখ-ে ব্যক্তিগত পর্যায়ে রবীন্দ্রনাথের চর্চা পরিলক্ষিত হয় বিশেষত রবীন্দ্রসঙ্গীতকে আশ্রয় করে। রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চার পরিম-লে আবির্ভূত হন- আবদুল আহাদ, কলিম শরাফী, অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়, আতিকুল ইসলাম, ফজলে নিজামী, সন্জিদা খাতুন প্রমুখ। গত শতাব্দীর পাঁচের দশকের অন্তিÍমলগ্ন হতেই পরিলক্ষিত হয় রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য নিয়ে চর্চা। শুরু হয় রবীন্দ্রসাহিত্য সম্পর্কিত রচনাচর্চা; গুণ ও মানের বিচারে উচ্চমানের না হলেও এটি স্বীকার্য যে- এসকল রচনাই এই ভূখ-ে রবীন্দ্রচর্চার পথ প্রসারিত করে। ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনকে কেন্দ্র করে সরকারের বিরোধীতা এবং প্রগতিশীল লেখক-বুদ্ধিজীবী সমাজের তা অমান্য করা এক অভূতপূর্ব সাংস্কৃতিক জাগরণের জন্ম দেয়। যার ফলশ্রুতিতে সংস্কৃতিচর্চায় দেশীয় ঐতিহ্য ও প্রগতিমুখী উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ছায়ানটে’র তুল্য মহীরূহপ্রতিম সাংস্কৃতিক সংগঠন। এই কালখ-েই রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ শিরোনামে প্রথম গ্রন্থ রচনা করেছিলেন খায়রুল বাশার; যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। কালক্রমে রবীন্দ্রসাহিত্য চর্চার সঙ্গে যুক্ত হন- আনোয়ার পাশা, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনিসুজ্জামান, হায়াৎ মামুদ, সৈয়দ আকরম হোসেন প্রমুখ। ষাটের দশকের অন্তিÍমপাদে প্রকাশিত হয় আনিসুজ্জামান সম্পাদিত বিশিষ্ট একটি গ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ (১৯৬৮); যেখানে রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে তিরিশটি রচনা সংকলিত হয়েছিল।

দুই.
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে রবীন্দ্রচর্চার ক্ষেত্রে সবথেকে বড় সীমাবদ্ধতার জায়গা ছিল রাষ্ট্রশক্তির বিরোধীতা; দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যা সর্বাংশে না হলেও খানিকটা অপসৃত হয়। একটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা শুধুমাত্র নিরাপদ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবন প্রদানের অভিপ্রায়েই নয়, মুক্ত সংস্কৃতির বিকাশও স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্যতম দায়। দুঃখজনক হলেও স্বীকার্য সংস্কৃতির বিকাশমান চরিত্রের অভাবেই বাংলাদেশে আজ অবধি সার্বিকভাবে রবীন্দ্রচর্চা কিংবা রবীন্দ্রচর্চার কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভবপর হয়নি। অবিশ্যি, এর পশ্চাতেও কাজ করেছে একটি জনগোষ্ঠীর অন্ধ, অবিবেচনাপ্রসূত রবীন্দ্রবিদ্বেষ বা বিরোধীতার মানসিকতা; আবার, এটি অনেকক্ষেত্রে রাষ্ট্রশক্তিরও আনুকূল্য-প্রশ্রয় লাভ করেছে। যা ঐতিহাসিকধারাক্রমে পাকিস্তান আমল থেকেই চলমান; রাষ্ট্রের মানচিত্র বদল হলেই যে জনমানুষের মানসিকতার রাতারাতি পরিবর্তন ঘটে না বাংলাদেশেও টিকে থাকা রবীন্দ্রবিদ্বেষ এর একটি বড় ও তাৎপর্যম-িত উদাহরণ। এমনকি বাংলা সাহিত্য গবেষণা, সংকলনের সবথেকে বড় প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমিতেও এর দৃষ্টান্তÍ বিরল নয়; বাংলা একাডেমীর ইতিহাস (১৯৮৬) গ্রন্থে বশীর আল্হেলাল একাডেমির মানসিকতা সম্পর্কে লিখেছেন- ‘আমরা অনুমান করতে পারি সেইকালে বাংলা একাডেমীকে যাঁরা চালাতেন তাঁদের মধ্যেও রবীন্দ্রপ্রশ্নকে নিয়ে দুই ভাগ হয়েছিল। …রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ ও শাহজাদপুরের কুঠিবাড়ির সংরক্ষণের জন্য সে দুটিকে একাডেমীর আয়ত্তে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। একাডেমী রবীন্দ্ররচনাবলী প্রকাশের চেষ্টা একাধিকবার করেছিল।’ অবশ্য, রবীন্দ্রনাথের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রতিবছর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে। মোবারক হোসেনের সংকলন ও সম্পাদনায় সেই বক্তৃতাগুলি বাংলা একাডেমির নিবেদন : রবীন্দ্রনাথ মোড়কে ২০১১ সালে প্রকাশিত হয়েছে; উপলক্ষ ছিল রবীন্দ্রনাথের দেড়শ বছর পূর্তি। কিন্তু, দিন দিন বাংলা একাডেমির দায়িত্ব বর্হিভূত কাজের পরিধি যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে শুধুমাত্র রবীন্দ্রচর্চা কেন? একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তার টিকে থাকাটাই ক্রমশ দুরূহ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রায় এক যুগের অধিক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে চর্চার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ‘নজরুল ইন্সটিটিউট’। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে চর্চার জন্যও এমন একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আবশ্যিক ছিল, কিন্তু তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভবপর হয়নি। প্রশ্ন হতে পারে একজন ব্যক্তিকে নিয়ে চর্চার জন্য প্রতষ্ঠান কেন এত জরুরি? ব্যক্তিগত পর্যায়েও তো চর্চা সম্ভব! এর কোনোটাই বাতিলযোগ্য নয়। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে ব্যক্তিপর্যায়ে নানাভাবে চর্চা চলছে- এমনকি ব্যক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে, যেগুলোর অধিকাংশই রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চার প্রতিষ্ঠান। কিন্তু, বর্তমান বৈশি^ক কর্পোরেট ব্যবস্থার ঋণাত্মক প্রভাব ব্যক্তিকে বিপন্ন করে তুলেছে সার্বিকভাবে; প্রযুক্তির বহুমাত্রিক সংযোগে ব্যক্তি ক্রমশ হারিয়ে ফেলছে তার সৃজনীশক্তি, বোধ করছে বিপন্নতা। ফলে- রবীন্দ্রনাথের তুল্য বহুমাত্রিক প্রতিভার কর্ম ও জীবন নিয়ে চর্চা একক ব্যক্তির পক্ষে চালিয়ে যাওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। এখানেই উপস্থিত হয় রবীন্দ্রচর্চায় রাষ্ট্রীয় প্রাতিষ্ঠানিকতার প্রাসঙ্গিকতা। গত পঞ্চাশ বছরে এই ভূখ-ে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বহু গ্রন্থ রচিত হয়েছে; যেগুলোর মধ্যে স্বল্পাংশে হলেও রয়েছে প্রতিষ্ঠানের ছত্রচ্ছায়ায় রচিত উচ্চতর ডিগ্রিলাভের অভিপ্রায়ে রচিত অভিসন্দর্ভ। কিন্তু, এই রচনাগুলোর মধ্যেও কাজ করেছে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে, চর্চার ক্ষেত্রে নানাবিধ সীমাবদ্ধতা। যেখানে শাণিত মেধার অভাব হতে আরম্ভ করে গবেষণার প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবও বিদ্যমান। ১৯৯০ সাল থেকে চলমান থাকলেও, বাংলাদেশে রবীন্দ্রচর্চার ক্ষেত্রে একটি বৃহৎ ও জনপ্রিয় উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয় ২০১১ সালে রাষ্ট্রীয় পোষকতায় রবীন্দ্রনাথের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন; যা দেশের প্রান্তিÍক পর্যায়ের সাহিত্য-সংস্কৃতির মানুষের মনেও আগ্রহের জন্ম দিয়েছিল। প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রীয় পোষকতার বাইরে এই উপলক্ষেই কয়েকজন রবীন্দ্রপ্রেমী একত্রিত হয়ে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে একশ একান্নটি গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ-প্রকল্প গ্রহণ করেন; ‘মূর্ধণ্য’ যে গ্রন্থগুলি প্রকাশ করে। ‘রবীন্দ্র স্মারক গ্রন্থমালা’ নামের এই প্রকল্পের সম্পাদক ছিলেন মনজুরে মাওলা; উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন আমাদের বুদ্ধিজীবী পরিম-লের বেশ নামকরা লোকজন। তাঁদের উদ্যোগে যে একশ একান্নটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল তার অধিকাংশেরই গুণ ও মানের উপযুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে; সম্ভবত সময় স্বল্পতার হেতুই এটি ঘটেছে। এখানেও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের অভাব ভীষণভাবে প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি নওগাঁর পতিসরে রবীন্দ্রনাথের নামে একটি ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এটি একটি সাধু উদ্যোগ হিসেবে প্রশংসিত হতে পারে; তবে, আমাদের দেশে রবীন্দ্রচর্চার উপযুক্ত মানুষের আকালের সুযোগ নিয়ে, অযোগ্য-অবিদ্বানদের অধিকারে এটি যেন কোনো বারোয়ারি-দায়াসারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কাঠামো না পায়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক কিংবা ব্যক্তিপর্যায়ে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে যে চর্চা- তা কোনোকালেই একরৈখিকভাবে অগ্রসর হয়নি; এখানে বারবার ছোঁয়াচ লেগেছে বঙ্কিমতার, একপেশে জটিলতার, কখনোবা পুরনো বিদ্বেষের। সার্বিকভাবে এসকল সঙ্কট উত্তরণ করে রবীন্দ্রনাথের বিপুল সাহিত্য, সঙ্গীত, চিত্রকলার জগত নিয়ে সুস্থ-মননপ্রযত্নময় চর্চা কাম্য। আর, এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা, পোষকতাও বিশেষভাবে স্বীকার্য।

নাজমুল হাসান পলক

Hits: 59

(1) Comment

Leave A Comment

All fields marked with an asterisk (*) are required

7 + 6 =

Shares